নিজস্ব প্রতিবেদক: নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার নুর নবীর মেয়ে শারমিন আক্তারের প্রতারনার স্বীকার বসুরহাটের কয়েকজন ব্যাবসায়ী দিশেহারা। শারমিনের বাড়ি কবিরহাট উপজেলার চন্দ্রশুদ্ধি গ্রামে।

তার বিরুদ্ধে ব্যাবসায়দের থেকে টাকা দার দিয়ে ফেরত না দেয়া উলো টাকা ফেরত চাইলে নারী নির্যাতন মামলায় ফাশানো সহ ব্যপক অভিযোগ পাওয়া গেছে। বসুরহাটের স্বনাম ধন্য ব্যাবসায়ী মোঃ জসিমউদ্দিন রাশেদের থেকে ২ লাখ টাকা দার নিয়ে ফেরত দিতে চায়না শারমিন তখন রাশেদ তাকে উকিল নোটিশ করে যার চেক নং msq-1798436 যাহা ১১/০৮/২০১৬ ইং তারিখে ব্যাংক কতৃক ডিজোনার হয়। এর পর তার বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা দায়ের হয় সে মামলায় শারমিন জামিনে রয়েছে। অপরদিকে টাকা নাদিয়ে বাঁচার জন্য সে ্উল্টো রাশেদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করে যা এখনও চলমান।

অপরদিকে একই কায়দায় এর আগে ২০১৫ সালে বসুরহাটের ভাই ভাই টেলিকমের ব্যাবসায়ী আব্দুল মান্নান মামুনকেও সে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় ২২/০৯/২০১৫ ইং তারিখে মামুনকে অপহরন করে তার কাছ থেকে জোর পূর্বক স্টাম্পে সই নিয়ে বলে শারমিনকে ১০ লক্ষ টাকা দিতে। না হলে তাকেও নারী নির্যাতন মামলায় পাঁসাবে। যা নিয়ে মামুণ বাদী হয়ে ২৮/০৯/২০১৫ ইং তারিখে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করেন যাহার মামলা নং ১৮/১৩৭। এভাবে এই মেয়ে ও তার মা মিলে ২০১২ সালে মিলন স্টোরের মিলনকেও পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় অপহরন মামলা দিয়ে হয়রানী করে। শারমীনের প্রতারনার স্বীকার সর্বশেষ তার স্বামী বসুরহাট পৌরসভা ৮ নং ওয়াডের জাকির হোসেন অসহ্য হয়ে তাকে ডিবোর্স দিতে বাধ্য হয়। ২০০৮ সালে তার বিয়ে হয় জাকির হোসেনের সাথে যা ১৪/০৩/ ২০১৭ সালে ডিভোর্সের মাধ্যমে শেষ হয়। বর্তমানে সে স্বামী সংসার থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে ফেনী জেলায় বসবাস করছে। কিন্তু আজও তাদের প্রতারনা অতংকে আতংকিত বসুরহাটের ব্যাবসায়ীরা। স্থানীয় কিছু সুবিধাভোগী ও দূশ্চরিত্র লোকের সহায়তায় এখনও দেদারছে চলছে তার প্রতারনা। তাই স্থানীয়দের দাবী এমন মেয়েকে আইনের আওতায় এনে বসুরহাটের ব্যাবসায়ীদের প্রতারনার হাত থেকে যেন রেহাই দেয় হয়।

Share