বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন হচ্ছে আনন্দের। সমাবর্তনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রির সনদ গ্রহণ করার আকাঙ্ক্ষা সব পরীক্ষার্থী তথা ছাত্রছাত্রীরই থাকে। ছাত্রজীবনের গণ্ডী শেষ করে এই দিনটার জন্য সবাই অপেক্ষা করে, অবশেষে এলো সেই কাঙ্ক্ষিত ক্ষণ।

রোববার টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আবদুল হামিদ সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। সমাবর্তন উপলক্ষে ক্যাম্পাসে এখোনো উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে পুরো ক্যাম্পাস। সমাবর্তনে অংশ নিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আব্দুস সাত্তার, জনি, সোহাগ, রুপা, নাজমুল, জাকারিয়া, তামিম, এরশাদ ও জাহিদ বলেন, আমাদের অর্জিত জ্ঞানের সর্বোচ্চ শিখাকে কাজে লাগিয়ে দেশের সেবা করব, দেশের মানুষের জন্য এগিয়ে আসব।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনেক অনুপ্রেরণা পেয়েছি যা পরবর্তী জীবনের পথচলাকে আরো সুগম করবে। মাওলানা ভাসানীর আদর্শে আমরা পরবর্তী জীবনে চলার ও অনুসরণ করার চেষ্টা করব।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় সমাবর্তনে চারটি অনুষদের ১২টি বিভাগের বিএসসি সম্মান/ইঞ্জিনিয়ারিং, বিবিএ ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৫১টি ব্যাচের ৯৮৭ শিক্ষার্থীকে স্নাতক এবং ৫০১ শিক্ষার্থীকে স্নাতকোত্তরসহ মোট ১ হাজার ৪৮৮ জনকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এ ছাড়া শিক্ষাজীবনে অনন্য কৃতিত্বের জন্য ২১ শিক্ষার্থীকে চ্যান্সেলর, ভাইস চ্যান্সেলর ও ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আলাউদ্দিন বলেন, সমাবর্তন সফলভাবে সম্পূর্ণ শেষ হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এর মাধ্যমে তাঁদের শিক্ষাজীবনের স্বীকৃতি লাভ করবেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের উপস্থিতি সমাবর্তন অনুষ্ঠানকে আরও মর্যাদাপূর্ণ করে তুলেন।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন।

Share