সোমবার সকাল ১১ টায় রাজধানীর মিরপুরের সবুজ বাংলা, আর্দশ নগর, চুয়ান্ন প্লট, মদিনা নগর মাত্র আধা ঘন্টা বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায়। রাস্তায় কোমর পরিমাণ পানি। এই পানি পার হতে ১০ টাকা করে নিচ্ছেন ভ্যানচালকেরা। পুরো মিরপুর এলাকায় রয়েছে কোমর পরিমান পানি। যাত্রীরাও ভ্যানে করে পার হচ্ছেন। আবার অনেকে পায়ে হেঁটেই এই পানি পার হয়ে যাচ্ছেন নিজ গন্তবে।

সোমবার সকালে মিরপুর এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, পুরো এলাকায় পানি জমেছে। ঘরমুখী মানুষ তাদের গন্তবে যাওয়ার জন্য ১০ টাকা নিয়ে পানি পার হচ্ছেন। আবার অনেকে পায়ে হেঁটে রওনা দিচ্ছেন।

এদিকে জনস্বার্থ রক্ষা জাতীয় কমিটির আহবায়ক আমিনুল ইসলাম বুলু বলেন- সাংবাদিক আবাসিক এলাকার খাল থেকে যতক্ষন পর্যন্ত ড্রেজার দিয়ে ময়লা তোলা না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত মিরপুরের বিভিন্ন জায়গায় ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে যাবে। মিরপুর বাসীকে পানি বন্ধী অবস্থা থেকে মুক্ত করতে হলে অবশ্যই পানি সরানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

কথা হয় ভ্যানচালক আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, সোমবার সকাল থেকে বৃষ্টি হওয়ায় পুরো মিরপুর এলাকায় কোমর পযন্ত পানি জমে আছে। আমরা যাত্রীদের সুবিধার্থে পানি পার করে দিচ্ছে এবং ভাড়া হিসেবে নিচ্ছি ১০ টাকা। যাত্রীরাও ভ্যানে করে পার হচ্ছেন।

ভ্যানযাত্রী প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পুরো মিরপুর এলাকায় এক কোমর পানি জমে আছে যা সরতে পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা সময় লাগে। পচা-নোংরা পানি দিয়ে পায়ে হেঁটে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই টাকা দিয়ে পানি পার হচ্ছি।

আরেক যাত্রী শরীয়তপুর ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মোঃ বাচ্চু বেপারী বলেন, ঈদের কেনাকাটা করতে বের হয়েছিলাম বৃষ্টির আগে। এখন আদশ নগর হয়ে যেতে হবে মিরপুর ১১ নম্বর মার্কেটে। কিন্তু পানির জন্য পায়ে হেঁটে পার হতে পারছি না। তাই ১০ টাকা দিয়ে পানি পার হচ্ছি।

উল্লেখ্য, সোমবার সকাল থেকে বৃষ্টি হওয়াতে রাজধানীর মিরপুরের অধিকাংশ রাস্তাঘাট ডুবে যায়। এতে রাজধানীবাসীর ভোগান্তি বেড়ে যায়। এ সুযোগে ভাড়া হিসেবে ১০ টাকা নিয়ে পানি পার করে দিচ্ছেন ভ্যানচালকরা।

Share